গ্রান্ট এলিয়ট
সারসংক্ষেপ
গ্রান্ট এলিয়ট
নিউজিল্যান্ডের সৌভাগ্যের অসংখ্য অলরাউন্ডারের একজন গ্রান্ট এলিয়ট। জোহানেসবার্গে জন্ম নেওয়া এলিয়ট ২০০১ সালে ওয়েলিংটনে চলে আসেন, সেখানে ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসের হয়ে খেলেন। তিনি দক্ষ ব্যাটসম্যান, কয়েক ওভার মিডিয়াম পেস বলও করতে পারেন। নিউজিল্যান্ডের নির্বাচকেরা এই দক্ষতা লক্ষ করে ২০০৮ সালে ইংল্যান্ড সফরের দলে তাঁকে নেন।
হতাশাজনক টেস্ট অভিষেকের পর সারের হয়ে ক্লাব ক্রিকেট খেলতে যান এলিয়ট। তবে জ্যাকব ওরাম চোট পেলে ওয়ানডে দলে ডাক পান তিনি। প্রথম ওয়ানডেতেই পাঁচ ওভারে ৩/২৩ নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রভাব ফেলেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, ব্রিস্টলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কিউইদের মনোবল বাড়ানো জয় এনে দিতে সাহায্য করেন। ৭৫/৬ থেকে কিউইদের ১৮২ রানে নিয়ে যেতে কষ্টার্জিত দারুণ এক ফিফটি করেন এলিয়ট। বল হাতেও ৫.২ ওভারে মাত্র নয় রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়ে কম রানের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারাতে নিউজিল্যান্ডকে সাহায্য করেন।
তাঁর পরের বড় অবদান আসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চ্যাপেল-হ্যাডলি সিরিজে। তাঁর অপরাজিত ৬১ রান নিউজিল্যান্ডকে অজিদের হারাতে এবং পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) আরও এক ধাপ এগিয়ে হেরে যাওয়া ম্যাচে ওয়ানডেতে প্রথম সেঞ্চুরি করেন তিনি। বিশাল ৩০১ রান তাড়া করতে গিয়ে লেজের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে খেলে শেষ পর্যন্ত দলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন এলিয়ট। তবে চাপ সামলানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে, দারুণ ১১৫ রান করে বিদায় নেন তিনি।
নিজের জন্মভূমি দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০০৯ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে দলকে দ্বিতীয়বার ফাইনালে তোলেন এলিয়ট। ড্যানিয়েল ভেট্টোরির সঙ্গে ব্যাট করে স্নায়ু ধরে রেখে দারুণ সেঞ্চুরি জুটিতে কিউইদের উদ্ধার করেন তিনি।
তবে বছরের শেষ দিকে চোট এলিয়টকে ভোগায়। হাঁটুর চোট তাঁর বোলিং সীমিত করে দেয়, ২০১১ বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাননি তিনি। টেস্ট থেকে ওরামের অবসরের পর মনে হচ্ছিল দলে জায়গা পাকা করতে পারবেন এলিয়ট, কিন্তু অধারাবাহিকতার কারণে নির্বাচকেরা তাঁকে বেছে নেননি। বিস্ময়করভাবে জানুয়ারি ২০১৩-তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে দলে ফেরেন তিনি।
২০১৩ সালে উল্লেখযোগ্য কিছু না করলেও ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিপক্ষে খেলা ওয়ানডে দলে বিকল্প হিসেবে ছিলেন এলিয়ট। তবে জানুয়ারি ২০১৫-তে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পান এবং দলে ফেরেন। বিস্ময়করভাবে এরপর ২০১৫ বিশ্বকাপের দলে এলিয়টের নাম রাখেন নির্বাচকেরা, কারণ তাঁদের মনে হয়েছিল নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত। বিশ্বকাপের ঠিক আগে সাত ম্যাচের সিরিজে ডানেডিনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের মোড় ঘোরানো সেঞ্চুরি করে নিজের মূল্য প্রমাণ করেন এলিয়ট।
মজার তথ্য: ২০০৯ সালে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ওয়ানডে সেঞ্চুরি করা প্রথম নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড় হন গ্রান্ট এলিয়ট।
লিখেছেন সিদ্ধার্থ বিশ্বনাথন ও সোনালি ধুলাপ
এই জীবনী এআই দিয়ে ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে। ইংরেজিতে পড়ুন
সাম্প্রতিক ব্যাটিং
| স্কোর | প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | তারিখ |
|---|---|---|---|
| ১৪(৮) | পাকিস্তান | টি-টোয়েন্টি | ১২ সেপ্টেম্বর ১৭ |
| ৪*(৬) | ইংল্যান্ড | টি-টোয়েন্টি | ৩০ মার্চ ১৬ |
| ৯(৭) | বাংলাদেশ | টি-টোয়েন্টি | ২৬ মার্চ ১৬ |
| ১*(১) | পাকিস্তান | টি-টোয়েন্টি | ২২ মার্চ ১৬ |
| ২৭(২০) | অস্ট্রেলিয়া | টি-টোয়েন্টি | ১৮ মার্চ ১৬ |
সাম্প্রতিক বোলিং
| উইকেট | প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | তারিখ |
|---|---|---|---|
| ০-১৭ | পাকিস্তান | টি-টোয়েন্টি | ১২ সেপ্টেম্বর ১৭ |
| ০-২১ | ইংল্যান্ড | টি-টোয়েন্টি | ৩০ মার্চ ১৬ |
| ৩-১২ | বাংলাদেশ | টি-টোয়েন্টি | ২৬ মার্চ ১৬ |
| ০-১৬ | পাকিস্তান | টি-টোয়েন্টি | ২২ মার্চ ১৬ |
| ০-১৭ | অস্ট্রেলিয়া | টি-টোয়েন্টি | ১৮ মার্চ ১৬ |
পরিসংখ্যান
ফরম্যাট অনুযায়ী ক্যারিয়ার
আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ফরম্যাটⓘ ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যানে আমরা যেসব ফরম্যাট রাখি (টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, প্রথম শ্রেণি, লিস্ট এ) আর ওপরে দেখানো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ধরা হয়েছে।
সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান
ব্যাটিং
| Test | ODI | T20 | IPL | |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 5 | 83 | 17 | 0 |
| Innings | 9 | 69 | 15 | 0 |
| Runs | 86 | 1976 | 171 | 0 |
| Balls | 322 | 2416 | 157 | 0 |
| Highest | 25 | 115 | 27 | 0 |
| Average | 10.75 | 34.07 | 15.55 | 0 |
| SR | 26.71 | 81.79 | 108.92 | 0 |
| Not Out | 1 | 11 | 4 | 0 |
| Fours | 3 | 151 | 12 | 0 |
| Sixes | 0 | 28 | 2 | 0 |
| Ducks | 1 | 6 | 0 | 0 |
| 50s | 0 | 11 | 0 | 0 |
| 100s | 0 | 2 | 0 | 0 |
| 200s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 300s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 400s | 0 | 0 | 0 | 0 |
বোলিং
| Test | ODI | T20 | IPL | |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 5 | 83 | 17 | 0 |
| Innings | 6 | 57 | 15 | 0 |
| Balls | 282 | 1302 | 192 | 0 |
| Runs | 140 | 1179 | 235 | 0 |
| Maidens | 9 | 8 | 0 | 0 |
| Wickets | 4 | 39 | 14 | 0 |
| Avg | 35.0 | 30.23 | 16.79 | 0.0 |
| Eco | 2.98 | 5.43 | 7.34 | 0 |
| SR | 70.5 | 33.38 | 13.71 | 0.0 |
| BBI | 2/8 | 4/31 | 4/22 | -/- |
| BBM | 2/8 | 4/31 | 4/22 | -/- |
| 4w | 0 | 1 | 1 | 0 |
| 5w | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 10w | 0 | 0 | 0 | 0 |
ম্যাচ
| ম্যাচ | ফরম্যাট | ফলাফল | তারিখ |
|---|---|---|---|
| পাকিস্তান বনাম বিশ্ব একাদশ ১ম টি-টোয়েন্টি · পাকিস্তান সফরে বিশ্ব একাদশ, ২০১৭ | টি-টোয়েন্টি | পাকিস্তান ২০ রানে জয়ী | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ |
ক্যারিয়ার
ফরম্যাট অনুযায়ী ম্যাচ
ⓘ Debut and match counts reflect matches currently in our archive, which may not cover a player's entire career.
