ক্রিস উড
সারসংক্ষেপ
ক্রিস উড
হ্যাম্পশায়ারে চোটের শঙ্কায় থাকা এক বাঁহাতি পেসার — আগে শুনেছেন? হ্যাঁ। ক্রিস উডের ক্যারিয়ারের গ্রাফ অনেকটাই রিস টপলির মতো। তবে টপলির মতো নয়, হ্যাম্পশায়ারের জয়ী দলে খেলেছেন উড। ২০১০ সালের টি-টোয়েন্টি সাফল্যের অংশ ছিলেন, আর ২০১২ সালেও বড় ভূমিকা রাখেন — যখন দলটি জেতে টি-টোয়েন্টি ও ক্লাইডসডেল ব্যাংক ৪০।
হ্যাম্পশায়ারে 'উডি' নামে পরিচিত এই পেসার উঠে এসেছেন তাদের যুব কাঠামো থেকে, ক্যারিয়ার শুরু করেন খেলার ছোট ফরম্যাটে। ২০১০ সালে দলের নিয়মিত সদস্যদের চোটের কারণে প্রথম টি-টোয়েন্টির স্বাদ পান উড, আর শিগগিরই লিস্ট 'এ' ক্রিকেটও খেলতে শুরু করেন। সেই মৌসুমে একদিনের ফরম্যাটে হ্যাম্পশায়ারের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন উড, আর টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ২০ উইকেট ছিল হ্যাম্পশায়ারের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা। সে বছর এবং পরের বছরগুলোতে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। বস্তুত হ্যাম্পশায়ারের হয়ে অভিষেকের পর থেকে পাঁচটি ফাইনালস ডে-তে খেলেছেন উড।
পরের বছর ছোট ফরম্যাটের পারফরম্যান্সের সুবাদে চার দিনের দলেও জায়গা পাকা করেন উড — একদিনের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন, আর শিগগিরই হয়ে ওঠেন হ্যাম্পশায়ারের বোলিং আক্রমণের প্রধান ভরসা।
উড লোয়ার অর্ডারে কার্যকর ব্যাটসম্যানও, আর তার সাক্ষী লেস্টারশায়ার — ২০১২ সালে তাদের বিপক্ষেই প্রথম শ্রেণির প্রথম সেঞ্চুরি করেন তিনি। ম্যাচটি হ্যাম্পশায়ার হারলেও উডের কদর কেবল বাড়তেই থাকে। ততদিনে তাঁর সুনাম আকাশ না ছুঁলেও শিগগিরই ছুঁয়ে ফেলে, যখন একদিনের ও টি-টোয়েন্টি দুই ফাইনালেই স্নায়ু ধরে রেখে শেষ ওভারে লক্ষ্য রক্ষা করে হ্যাম্পশায়ারকে জয় এনে দেন।
২০১৩ মৌসুমে চোটে পড়েন উড, আর সেই চোট পরের মৌসুমেও তাঁর পিছু ছাড়েনি। তবে লড়াই করে ২০১৪ মৌসুমের শেষ দিকে ফেরেন, চ্যাম্পিয়নশিপের চার ম্যাচে নেন ১৫ উইকেট। ২০১৫ সালে সাদা বলের ক্রিকেটে আরেকটি ভালো বছর কাটে, হ্যাম্পশায়ারের টি-টোয়েন্টি গড়ের তালিকায় শীর্ষে থাকেন উড, পাশাপাশি একদিনের ফরম্যাটে নেন ১০ উইকেট। মৌসুম শুরুর আগেই দুই বছরের চুক্তি নবায়নে সই করেছিলেন তিনি।
আগেও ভুগিয়েছে এমন হাঁটুর দীর্ঘস্থায়ী চোট ২০১৬ সালে আবার ফিরে আসে, মৌসুমের শুরুতে মিডলসেক্সের বিপক্ষে একটি ম্যাচের পর অস্ত্রোপচার করাতে হয় তাঁকে। শেষ পর্যন্ত বছরের বাকি সময়টা মাঠের বাইরে থাকেন।
হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর সেরে উঠতে উডকে সাহায্য করেন হ্যাম্পশায়ারের স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ নিক কারামুজিস। দ্বিতীয় একাদশে পারফর্ম করার পর শিগগিরই মূল দলে ফেরেন উড, হ্যাম্পশায়ারকে আরও একটি ফাইনালস ডে-তে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
লিখেছেন অক্ষয় মানায়
এই জীবনী এআই দিয়ে ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে। ইংরেজিতে পড়ুন
