ররি ক্লেইনভেল্ট
সারসংক্ষেপ
ররি ক্লেইনভেল্ট
কিছুটা ব্যাটও করতে পারা বোলার ররি ক্লেইনভেল্টের আন্তর্জাতিক অভিষেক ছিল সুখ-দুঃখ মেশানো। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় তাঁর, প্রথম বলেই জুনায়েদ সিদ্দিকীকে আউট করেন। এরপরই সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়, পরের পাঁচ বলে দেন ২০ রান। ব্যাট হাতেও অবদান রাখতে ব্যর্থ হন, ফলে জাতীয় দলের নির্বাচনে আর বিবেচিত হননি।
দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া অঙ্গনে ক্লেইনভেল্টের অবদান নজরকাড়া। ২০০২ অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অংশ ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকান একাডেমি দলে অল্প সময় খেলার পর ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্বের জন্য বেছে নেওয়া হয় তাঁকে। কয়েক ম্যাচ সংগ্রামের পর বর্ডারের বিপক্ষে ৬/২২ নিয়ে দলে জায়গা পাকা করেন তিনি। দলে থাকার সময় ওজন নিয়ে সমস্যায় ছিলেন তিনি, যার জেরে এক সতীর্থ বিখ্যাত ডব্লিউডব্লিউই কুস্তিগিরের নামে তাঁর নাম দেন 'বিগ শো'।
কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান ক্লেইনভেল্ট, আর কেপ কোবরাসের হয়ে খেলার জন্য নির্বাচিত হন। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা 'এ' দলের অংশ ছিলেন তিনি, আর ২০০৮ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে কোলপ্যাক খেলোয়াড় হিসেবে কিছুদিন হ্যাম্পশায়ারের হয়ে খেলেন। ভারতে অনুষ্ঠিত প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টিতে কোবরাসের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি, পাঁচ ম্যাচে নেন ছয় উইকেট।
২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দক্ষিণ আফ্রিকা দলে নির্বাচিত হন তিনি, সেন্ট লুসিয়ায় ভারতের বিপক্ষে খেলেন। নিজের প্রথম ওভারেই মুরলি বিজয়ের উইকেট নেন। তবে শেষ দিকে সুরেশ রায়না তাঁকে মাঠের চারদিকে পেটান, চার ওভারে ২/৪৮ নিয়ে শেষ করেন তিনি। তারপর থেকে দলে কখনোই নিয়মিত জায়গা পাননি ক্লেইনভেল্ট। তিন প্রধান ফাস্ট বোলার চোট পেলে বা বিশ্রামে থাকলে তাঁকে সবসময় বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। মাত্র চারটি টেস্ট আর হাতে গোনা কয়েকটি ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। যে সুযোগগুলো পেয়েছেন, তাতে মুগ্ধ করতে পারেননি, দলে নিয়মিত জায়গার দাবিও জোরালো করতে পারেননি।
দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া লিগে কেপ কোবরাসের হয়ে খেলেন তিনি। ২০১২ সালে গাঁজা সেবনের পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে কোবরাসের টি-টোয়েন্টি অভিযান থেকে বাদ পড়েন তিনি। তারপর থেকে কিছুটা ওজন কমিয়ে আবার বিবেচনায় ফিরেছেন।
লিখেছেন অক্ষয় মানয়
এপ্রিল ২০১৪ পর্যন্ত হালনাগাদ
এই জীবনী এআই দিয়ে ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে। ইংরেজিতে পড়ুন
সাম্প্রতিক ব্যাটিং
| স্কোর | প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | তারিখ |
|---|---|---|---|
| ৮(১০) | শ্রীলঙ্কা | ওয়ানডে | ২৮ জুলাই ১৩ |
| ৪৩(৬১) | ইংল্যান্ড | ওয়ানডে | ১৯ জুন ১৩ |
| ৪(৫) | ভারত | ওয়ানডে | ০৬ জুন ১৩ |
| ব্যাট করেননি | নেদারল্যান্ডস | ওয়ানডে | ৩১ মে ১৩ |
| ১৮(২২) | পাকিস্তান | ওয়ানডে | ২১ মার্চ ১৩ |
সাম্প্রতিক বোলিং
| উইকেট | প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | তারিখ |
|---|---|---|---|
| ০-৩৩ | শ্রীলঙ্কা | ওয়ানডে | ২৮ জুলাই ১৩ |
| ১-১০ | ইংল্যান্ড | ওয়ানডে | ১৯ জুন ১৩ |
| ০-৮১ | ভারত | ওয়ানডে | ০৬ জুন ১৩ |
| ১-৪৮ | নেদারল্যান্ডস | ওয়ানডে | ৩১ মে ১৩ |
| ১-৫১ | পাকিস্তান | ওয়ানডে | ২১ মার্চ ১৩ |
পরিসংখ্যান
ফরম্যাট অনুযায়ী ক্যারিয়ার
আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ফরম্যাটⓘ ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যানে আমরা যেসব ফরম্যাট রাখি (টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, প্রথম শ্রেণি, লিস্ট এ) আর ওপরে দেখানো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ধরা হয়েছে।
সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান
ব্যাটিং
| Test | ODI | T20 | IPL | |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 4 | 10 | 6 | 0 |
| Innings | 5 | 7 | 3 | 0 |
| Runs | 27 | 105 | 25 | 0 |
| Balls | 61 | 124 | 10 | 0 |
| Highest | 17 | 43 | 22 | 0 |
| Average | 9 | 15 | 25 | 0 |
| SR | 44.27 | 84.68 | 250.00 | 0 |
| Not Out | 2 | 0 | 2 | 0 |
| Fours | 1 | 9 | 1 | 0 |
| Sixes | 2 | 5 | 3 | 0 |
| Ducks | 2 | 1 | 0 | 0 |
| 50s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 100s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 200s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 300s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 400s | 0 | 0 | 0 | 0 |
বোলিং
| Test | ODI | T20 | IPL | |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 4 | 10 | 6 | 0 |
| Innings | 7 | 10 | 6 | 0 |
| Balls | 667 | 513 | 122 | 0 |
| Runs | 423 | 448 | 173 | 0 |
| Maidens | 21 | 6 | 1 | 0 |
| Wickets | 10 | 12 | 9 | 0 |
| Avg | 42.3 | 37.33 | 19.22 | 0.0 |
| Eco | 3.81 | 5.24 | 8.51 | 0 |
| SR | 66.7 | 42.75 | 13.56 | 0.0 |
| BBI | 3/66 | 4/22 | 3/18 | -/- |
| BBM | 4/97 | 4/22 | 3/18 | -/- |
| 4w | 0 | 1 | 0 | 0 |
| 5w | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 10w | 0 | 0 | 0 | 0 |
