সোহরাওয়ার্দী শুভ
সারসংক্ষেপ
সোহরাওয়ার্দী শুভ
বাংলাদেশের সৌভাগ্যের তিন বাঁহাতি স্পিনারের একজন শুভ। ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে আদর্শ মানেন তিনি, আর বাংলাদেশ জাতীয় দলে স্বল্প সময়ে সীমিত সাফল্য পেয়েছেন। তবে মিতব্যয়ী বোলিং আর চাপ তৈরির সামর্থ্যের কারণে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে আছেন।
তাঁর প্রথম বড় অবদান ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরে। প্রথম ম্যাচেই ১০ ওভারে ৩/১৪ বোলিং করে সুর বেঁধে দেন তিনি। এক প্রান্ত থেকে চাপ তৈরি করে অন্য বোলারদের দারুণভাবে সহায়তা করেন। চার ম্যাচে ১৮ গড়ে নেন পাঁচ উইকেট, ইকোনমি রেট ছিল দুর্দান্ত ৩.২১। তাঁর এই সহায়ক ভূমিকার দারুণ ফল আসে, নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।
শুভ মিতব্যয়ী থাকলেও উইকেট নেওয়ার ধার ছিল না। ২০১১ বিশ্বকাপে শুধু নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলেন, ১০ ওভারে মিতব্যয়ী বোলিংয়ে নেন ১/৩৩। তবে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে খেলেননি, প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয় বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের পর ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ানরা তাঁকে মাঠের চারদিকে পিটিয়ে বাস্তবতা বুঝিয়ে দেয়। ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলার সুযোগ পান; ৪ উইকেট নিয়ে মোটামুটি ভালো করলেও দলের হার ঠেকাতে পারেননি। সেটিই তাঁর একমাত্র টেস্ট, প্রায় তিন বছর ধরে তিনি দলের বাইরে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট পাননি শুভ, তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি উইকেটের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। রাজশাহী বিভাগের হয়ে ক্যারিয়ারে ১৪ বার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন, যার মধ্যে সেরা ৬/৭১।
২০১৫ সালে জাতীয় ক্রিকেট লিগে রংপুর বিভাগের প্রথম শিরোপা জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। এক বছর পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে এক ম্যাচে ২১ রানে ব্যাট করার সময় তাসকিন আহমেদের একটি বাউন্সার এই অলরাউন্ডারের ঘাড়ে আঘাত করে।
তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া হয়; পরে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই করে দেখা যায় চোট খুব গুরুতর নয়, চিকিৎসকেরা জানান তিনি বিপদমুক্ত।
২০১৬-১৭ প্রথম শ্রেণির মৌসুমে ৪৫ রানে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জেতানো স্পেল করেন শুভ, যা তাঁর দলকে স্থানীয় ফেভারিট সিলেটকে ৫৬ রানের অল্প ব্যবধানে হারাতে সাহায্য করে। তাঁর কদর বাড়তে থাকে, আর ২০১৭ বিপিএল ড্রাফট থেকে চট্টগ্রাম কিংস তাঁকে দলে নেয়।
লিখেছেন শ্রীরাম এএস
এই জীবনী এআই দিয়ে ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে। ইংরেজিতে পড়ুন
সাম্প্রতিক ব্যাটিং
| স্কোর | প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | তারিখ |
|---|---|---|---|
| ১৫ & ০ | ওয়েস্ট ইন্ডিজ | টেস্ট | ২৯ অক্টোবর ১১ |
| ব্যাট করেননি | ওয়েস্ট ইন্ডিজ | ওয়ানডে | ১৮ অক্টোবর ১১ |
| ২০*(২৬) | জিম্বাবুয়ে | ওয়ানডে | ১২ আগস্ট ১১ |
| ৩*(৯) | অস্ট্রেলিয়া | ওয়ানডে | ১৩ এপ্রিল ১১ |
| ১৬(১৭) | অস্ট্রেলিয়া | ওয়ানডে | ১১ এপ্রিল ১১ |
সাম্প্রতিক বোলিং
| উইকেট | প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | তারিখ |
|---|---|---|---|
| ১-৭৩ & ৩-৭৩ | ওয়েস্ট ইন্ডিজ | টেস্ট | ২৯ অক্টোবর ১১ |
| ১-২ | ওয়েস্ট ইন্ডিজ | ওয়ানডে | ১৮ অক্টোবর ১১ |
| ০-৩৮ | জিম্বাবুয়ে | ওয়ানডে | ১২ আগস্ট ১১ |
| ১-২৮ | অস্ট্রেলিয়া | ওয়ানডে | ১৩ এপ্রিল ১১ |
| ০-৪৬ | অস্ট্রেলিয়া | ওয়ানডে | ১১ এপ্রিল ১১ |
পরিসংখ্যান
ফরম্যাট অনুযায়ী ক্যারিয়ার
আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ফরম্যাটⓘ ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যানে আমরা যেসব ফরম্যাট রাখি (টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, প্রথম শ্রেণি, লিস্ট এ) আর ওপরে দেখানো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ধরা হয়েছে।
সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান
ব্যাটিং
| Test | ODI | T20 | IPL | |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 1 | 17 | 1 | 0 |
| Innings | 2 | 10 | 1 | 0 |
| Runs | 15 | 97 | 1 | 0 |
| Balls | 40 | 135 | 3 | 0 |
| Highest | 15 | 20 | 1 | 0 |
| Average | 7.5 | 13.86 | 0 | 0 |
| SR | 37.50 | 71.86 | 33.34 | 0 |
| Not Out | 0 | 3 | 1 | 0 |
| Fours | 1 | 9 | 0 | 0 |
| Sixes | 0 | 1 | 0 | 0 |
| Ducks | 1 | 0 | 0 | 0 |
| 50s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 100s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 200s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 300s | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 400s | 0 | 0 | 0 | 0 |
বোলিং
| Test | ODI | T20 | IPL | |
|---|---|---|---|---|
| Matches | 1 | 17 | 1 | 0 |
| Innings | 2 | 17 | 1 | 0 |
| Balls | 297 | 762 | 6 | 0 |
| Runs | 146 | 572 | 12 | 0 |
| Maidens | 6 | 7 | 0 | 0 |
| Wickets | 4 | 14 | 0 | 0 |
| Avg | 36.5 | 40.86 | 0.0 | 0.0 |
| Eco | 2.95 | 4.5 | 12 | 0 |
| SR | 74.25 | 54.43 | 0.0 | 0.0 |
| BBI | 3/73 | 3/14 | 0/12 | -/- |
| BBM | 4/146 | 3/14 | 0/12 | -/- |
| 4w | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 5w | 0 | 0 | 0 | 0 |
| 10w | 0 | 0 | 0 | 0 |
